প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ডিজিটাল ল্যাব স্থাপনের বিশেষ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের আওতায় ট্যাবলেট কম্পিউটার ও ইন্টারেক্টিভ বোর্ড সরবরাহ করা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে সারাদেশে পাঁচ হাজারেরও বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল কনটেন্ট ও ডিভাইস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের ডিজিটাল শিক্ষণ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।
পাইলট প্রকল্পের মূল্যায়নে দেখা গেছে, ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদানে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ও শেখার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ড্রপআউট রেটও কমে এসেছে।
সিলেট ও চট্টগ্রামের কিছু প্রত্যন্ত বিদ্যালয়ে এই সুবিধা পৌঁছে দেওয়া চ্যালেঞ্জিং হচ্ছে বলে মন্ত্রণালয় স্বীকার করেছে। বিদ্যুৎ সংযোগ ও ইন্টারনেট অবকাঠামো উন্নয়নে সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, প্রযুক্তি শিক্ষার এই উদ্যোগ শিশুদের ভবিষ্যত ডিজিটাল কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করবে। তবে প্রযুক্তির পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দক্ষতার বিকাশও জরুরি।
