গণতন্ত্র কেবল নির্বাচনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রকৃত গণতন্ত্র মানে জনগণের কণ্ঠস্বর সংসদে প্রতিধ্বনিত হওয়া, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং নাগরিকদের অধিকারের সুরক্ষা।
বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি বিকাশে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অন্তর্দলীয় গণতন্ত্র চর্চা নিশ্চিত করা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংরক্ষণ এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সব পক্ষকে সমান মনোযোগী হতে হবে।
নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রতি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নাগরিক সমাজকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়লে গণতান্ত্রিক শাসন মজবুত হয়।
গণমাধ্যমকে চতুর্থ স্তম্ভের ভূমিকা পালনে সক্ষম হতে হলে সাংবাদিকতায় পেশাদারিত্ব, সত্যনিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জরুরি। রাজনৈতিক পক্ষপাতের বাইরে তথ্য পরিবেশন করা সংবাদমাধ্যমের প্রধান দায়িত্ব।
গণতন্ত্রকে কেবল একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে না দেখে একটি জীবনদর্শন হিসেবে গ্রহণ করার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। পারস্পরিক সম্মান ও সহিষ্ণুতার মধ্য দিয়েই গণতন্ত্র টেকসই হয়।
