🔴 সর্বশেষ
Loading...
  • Home  
  • ফসলি জমিতে পুকুর খননের হিড়িক 
- সারাদেশ - সর্বশেষ

ফসলি জমিতে পুকুর খননের হিড়িক 

অনলাইন ডেস্কঃ গোপালগঞ্জ কাশিয়ানীতে অনুমতি ছাড়াই প্রায় ৪৯ শতক ফসলি জমি বিনাশ করে মাটি কেটে পুকুর খনন এবং মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের কাকদি মৌজাতে এ পুকুর খনন করছেন মো: মুন্না মোল্লা এবং মো: ওসমান মোল্লা নামের দুই বেক্তি।  স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফসলি জমির মাটি কাটার জন্য স্থানীয় মাটি ও বালু ব্যবসায়ীর সঙ্গে […]

অনলাইন ডেস্কঃ গোপালগঞ্জ কাশিয়ানীতে অনুমতি ছাড়াই প্রায় ৪৯ শতক ফসলি জমি বিনাশ করে মাটি কেটে পুকুর খনন এবং মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের কাকদি মৌজাতে এ পুকুর খনন করছেন মো: মুন্না মোল্লা এবং মো: ওসমান মোল্লা নামের দুই বেক্তি। 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফসলি জমির মাটি কাটার জন্য স্থানীয় মাটি ও বালু ব্যবসায়ীর সঙ্গে চুক্তি করে এই কাজ করছে। পুকুর খননের পর ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করাও হবে। এর আগেও অন্য জমি থেকে বালু উত্তোলন করা হয়েছে। মাটি কাটা ও বালু উত্তোলনের ফলে পাশের জমির ভেঙে পড়ছে। অন্যান্য জমি চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। গাড়ি ও বালুর পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার করণে আশপাশের ফসলি জমিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। 

এ বিষয়ে মুন্না মোল্লা বলেন, “বাড়ি করার জন্য বালুর প্রয়োজন আর বালুর জন্য প্রয়োজন পুকুর তাই ফসলি জমি খনন করে পুকুর কাটা হচ্ছে। আমরা জমি আমি কাটতেছি এখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং কৃষি কর্মকর্তার অনুমতি লাগবে কেনো”। 

মোহাম্মদ ওসমান মোল্লা বলেন, “বাজারে পাশে একটি জমি ভরাটের জন্য পুকুর খনন করা হচ্ছে। বর্তমানে জমিতে ফসল ভালো হচ্ছে না তাই ভাবলাম পুকুর কেটে সেখানে মাছ চাষ করবো। তবে নিজেদের জমি নিজেরা অনুমতি ছাড়া কাটা যায় না তা জানা ছিলোনা। এ বিষয়ে ভেকুর লোকের সাথে কথা বলেন। তারা সব দায়িত্ব নিবে বলেই কন্ট্রাক্টর নিয়েছে। ভেকু ও ড্রেজারের লোকেরা সাহস না দিলে আমরাও এ কাজ করাতাম না”

এ ব্যাপারে কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: শাহীন মিয়া বলেন, অনুমতি ছাড়া ফসলি জমিতে পুকুর খনন করা নিষিদ্ধ। তবে জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে নিজ জমিতে পুকুর খনন করা যায়। অভিযুক্ত বেক্তিরা যাতে ফসলি জমিতে পুকুর খনন না করেন- সে জন্য লোক পাঠানো হবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

রেজিষ্ট্রেশন নং- রাজ-৪০৫

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ

মো. আখলাকুজ্জামান

Phone:  01730-934250

Mail: dailydibaratree@gmail.com

প্রতিষ্ঠাতাঃ

মরহুম অধ্যাপক আত্হার হোসেন
(সাংবাদিক, কলামিস্ট ও মানবাধিকার কর্মী)

ঠিকানাঃ

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, ২য় তলা, গুরুদাসপুর, নাটোর থেকে প্রকাশিত ও নাটোর প্রিন্টিং প্রেস, কানাইখালী, নাটোর থেকে মুদ্রিত। 

Dainik Dibaratree @2026. All Rights Reserved.