সংস্কার কমিশন তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এতে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে মোট ৮৫টি সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য সাংবিধানিক সংশোধনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে আরও ক্ষমতায়িত করতে আইনি কাঠামো পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কার্যকারিতা বাড়াতে তার স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার সুপারিশও রয়েছে। মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী করতে পৃথক বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রতিবেদনটিকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছেন। তাদের মতে, সুপারিশগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে।
তবে বিরোধী রাজনীতিবিদরা বলছেন, সংস্কারের পাশাপাশি রাজনৈতিক সদিচ্ছা না থাকলে কোনো প্রতিবেদনই কাজে আসবে না। সব দলের সম্মতিতে সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
