বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যাসহ ঢাকার আশপাশের নদীগুলোর দূষণ এখন ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শিল্পবর্জ্য, গৃহস্থালি বর্জ্য ও প্লাস্টিক দূষণে এসব নদীর পানি জলজ প্রাণীর বাসযোগ্যতা হারিয়েছে।
হাইকোর্টের নির্দেশনা সত্ত্বেও নদী দখল ও দূষণ বন্ধ হয়নি। আইন থাকলেও তার সঠিক প্রয়োগ নেই। দায়িত্বশীলদের জবাবদিহিতার অভাবেই পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না।
দেশের তেরো হাজার কিলোমিটারেরও বেশি নদীপথ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। নদী দখলে ও ভরাটে প্রভাবশালীদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নদী বাঁচানো শুধু পরিবেশ নয়, লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকা ও সুপেয় পানির সংকট মেটাতেও অপরিহার্য। এই মুহূর্তে সরকার ও জনগণ উভয়কেই সচেতন হতে হবে।
আমাদের দাবি, শিল্পকারখানা থেকে বর্জ্য পরিশোধন বাধ্যতামূলক করা হোক এবং নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।
